1. ক্রস মার্জিন মোড:
এই মোডে, অ্যাকাউন্টে উপলব্ধ সমস্ত তহবিল জোরপূর্বক লিকুইডেশন এড়ানোর জন্য জামানত হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
ক্রস মার্জিন মোডে, ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের সমস্ত তহবিল পজিশনের জন্য জামানত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ব্যবহারকারীরা একাধিক কন্ট্রাক্ট পজিশনের জন্য ক্রস মার্জিন মোড নির্ধারণ করতে পারে এবং এই মোডে সমস্ত পজিশন অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ভাগ করে নিতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: যদি লিভারেজ মাঝারি হয়, তাহলে লিকুইডেশনের ঝুঁকি কম হয়, তাই এই মোড সাধারণত হেজিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: একজন ট্রেডার BTCUSDT পজিশন খোলে। BTCUSDT পজিশন জোরপূর্বক লিকুইডেট হওয়ার পর, ট্রেডার তার সমস্ত USDT ব্যালেন্স হারাবে, তবে তার BTC ব্যালেন্স অপরিবর্তিত থাকবে।
2. আইসোলেটেড মার্জিন মোড:
এই মোডে, নির্দিষ্ট পজিশনের জন্য নির্ধারিত জামানত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে সীমাবদ্ধ থাকে।
যদি এই জামানত অপর্যাপ্ত হয়, তাহলে সেই পজিশন জোরপূর্বক লিকুইডেট হয়ে যাবে।
আইসোলেটেড মার্জিন মোডে, পজিশনের জন্য জামানত নির্দিষ্ট হয় এবং সেটি একটি প্রাথমিক মান হিসেবে নির্ধারিত হয়।
ব্যবহারকারী পরে এটি সমন্বয় করতে পারেন।
যখন মার্জিন ব্যালেন্স লিকুইডেশন স্তরের নিচে চলে যায়, তখন জোরপূর্বক লিকুইডেশন ট্রিগার হবে।
বৈশিষ্ট্য: যদি দামের পরিবর্তনের কারণে পজিশন লিকুইডেট হয়, তাহলে ব্যবহারকারী শুধুমাত্র ঐ পজিশনের মার্জিন হারাবেন এবং অ্যাকাউন্টের অন্য কোনো তহবিল এতে প্রভাবিত হবে না।
উদাহরণ: একজন ট্রেডার A 10x লিভারেজ সহ 10,000 BTCUSD পজিশন 20,000 USD মূল্যে খোলে। পজিশনের জন্য প্রাথমিক মার্জিন হল 0.5 BTC। পরে, ট্রেডার A লিভারেজ 20x-এ বাড়ায়, ফলে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক মার্জিন (কল্যাটারাল) 0.5 BTC থেকে কমে 0.25 BTC হয়ে যায়। যদি জোরপূর্বক লিকুইডেশন ঘটে, তবে ট্রেডার A শুধুমাত্র 0.25 BTC মার্জিন (ফি বাদে) হারাবে। এটি ট্রেডারকে কার্যকরভাবে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
※ ব্যবহারকারীরা নিজে থেকে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্জিন যোগ করতে পারেন। পজিশন খোলার পরে শুধুমাত্র ম্যানুয়ালি যোগ করা মার্জিনই কমানো যায়। খোলা পজিশন বা মুলতুবি অর্ডার থাকলে লিভারেজ কমানো যাবে না।